Showing posts with label রোমান্টিক কবিতা. Show all posts
Showing posts with label রোমান্টিক কবিতা. Show all posts

চল হারিয়ে যাই

চল হারিয়ে যাই...... ......
ঐ সাদা কালো ক্যানভাসে
তুমি আমি।
রেখা হয়ে,বিন্দু হয়ে কিংবা
গড়িয়ে পড়া জল হয়ে।
চল বহু দূরে চলে যাই....
তুলো মেঘে ভর করে,
সন্ধ্যের ম্রিয়মাণ দিগন্তে।
রক্তাক্ত হৃদয়ের রক্তিম
গোধূলির শেষ আভা হয়ে।
চল আরো একবার হারিয়ে যাই....
দূর থেকে দূরে..
তত দূরে,যত দূরে আকাশেরা নেমেছে ধরাতে।যেখানে সীমান্ত
টেনেছে ভালোবাসার জরাগুলো,
অবসাদগ্রস্ত দেবদাসেরা যেখানে
ইতি টেনেছে সমাপ্তির।
#নীলকান্ত ©
www.facebook.com/swopnonil

জোসনা ও কবিতা

অনন্ত যৌবনা পূর্নিমার রাত দেখলে কবি মন বোধ হয় এমনি তেই জেগে উঠে।আমার জায়গায় নীলকান্ত থাকলে হয়ত এতক্ষনে তার দু চার ছত্র লেখা হয়ে যেত! কিন্তু আমি কবি নই।কবিতার ক, আর গল্পের গ লিখতেও আমার কলম ভাঙে।তাই বৃথা চেষ্টা করা মোটেও সমিচীন হবে না।
অগত্য, নিজের বিদ্রোহী মনকে একটু শান্তনা দেবার জন্য বার বার রবীন্দ্রনাথের নিবারন চক্রবর্তীকে ডাকার চেষ্টা করছিলাম।
"#কোথায় আছো নিবারন চক্রবর্তী, ভর করো আমার উপর।বাণী দাও বাণী।"
কিন্তু না, নিবারন চক্রবর্তী আর এলেন না।তার প্রেতাত্মা দূরে থেকে মনে হয় হাসছেন।অথবা ভক্তের ডাকে সারা না দিতে পারার মনোকষ্টে জর্জরিত হয়ে আরেকবার গঙ্গার জলে জীবন বিসর্জন দেয়ার তরিকা খুঁজছিলেন।
এদিকে মেঘহীন হেমন্তের রাতের আকাশটা রুপালী চাঁদের আলোয় আপনার প্রশংসা শুনবার ব্যাকুলতায় অধৈর্য্য। কিন্তু এই কবিতার "ক " কলম আর গল্পের "গ" কলমের উপর ভর করে রুপালী চাঁদের বর্ননা করি সাধ্য কি আমার! রবি দা নিজেই নিবারণ দা'র সব ভাষা কুক্ষিগত করে শেষ করেছেন।এমতাবস্থায় এই হতভাগা স্বপ্ননীলের ডাকে সারা দেবার মত ভাষা আজ নিবারণ দা'রও নেই।
মনের এক কোণে কোথায় যেন এক টুকরো আশার সঞ্চার করার চেষ্টা যখন বৃথা যাচ্ছে তখন 
#নীলকান্তের উপর শেষ ভরসা।
বলি, "ও কান্ত দা,
কিছু বাণী দাও বাণী।"
"পায়ে ধরি কান্ত দা, দু কলম লেখার জন্য অন্তত একবার আমার উপর ভর কর! "
অনেক কারুবারু করে কান্ত দা'র মন গলেছে কিনা জানি না।তবে এমন রাতে প্রিয়ার চিবুকে হাত রেখে একবারো যদি বলতাম,
"প্রিয়ে,আকাশের চাঁদ দেখেছো? আধারের বুকে কি মিষ্টি আলিঙ্গন তার।যেন আধারো লুকিয়ে পড়েছে তার ভালোবাসায়।।
খুব ইচ্ছে করছে সেই আধার হতে।আর তুমি সেই পূর্নিমার চাঁদ।যার বুকে মিশে যেতে চাই আমি।"
তবে নিশ্চিত আজ প্রিয়া আমায় ফিরাতে পারতো না।
#স্বপ্ননীল
(সংক্ষিপ্ত)
www.facebook.com/swopnonil

তোর শরীরে "লাইন অফ কন্ট্রল" আঁকা আছে নাকি!!

তোর শরীরে বিদ্যুৎ এর প্রবাহ আছে না কি?
কাছে গেলে গা শিরশির করে,
ছুতে চাইলেই ছিটকে পড়ি দূরে;
বোধহয়, ৩৩ হাজার ভোল্টের প্রবাহ চলে,
দশ ফুট দূরে থেকেও ঝিনঝিন করে গা।
তুই জানিস?
তুই জানিস,
কতবার ছুতে গিয়েও গুটিয়ে নিয়েছি হাত?
কতবার অভুক্ত মন নিয়ে এসেছি ফিরে!
কতদিন-
সীমানার কাটাতারের বেড়া ডিঙানোর ভয়ে,
পাইনি নাগাল তোর!
আচ্ছা বলতো,
তোর শরীরে  "লাইন অফ কন্ট্রল" আঁকা আছে নাকি!!
#নীলকান্ত ©
[[মধু দা'র একটা স্ট্যাটাস এ কমেন্ট করেছিলাম।শেষের লাইনটা নিজের কাছে ভালো লাগায় আমার টাইমলাইন এ পোষ্ট করলাম]]
www.facebook.com/swopnonil

বিদ্রোহ

তোর জানালার গ্রিলটা ভেঙে ফেলবো,
বড্ড জ্বালাচ্ছে আজকাল।
রাস্তার ঐ ল্যাম্পপোস্ট টা,
ঢিল দিয়ে উড়িয়ে দেব ভাবছি;
স্ট্রীট ডগ টাকে আছাড় মেরে
সরিয়ে দেব পৃথিবী থেকে,
চাঁদকে ধরে কালো ব্যাগে ভরে রাখব,
মিউ মিউ করে ডাকা সাদা বিড়ালটাকেও,
বড্ড বিরক্ত করে আজকাল।
শীতকাল টাকে ক্যালেন্ডারের পাতা
থেকে মুছে ফেলে দেব ভাবছি,
নিদ্রাদেবীকে ধরে এনে
তোর ঘরে বেধে রাখবো,
কংক্রিটের দেয়াল ভেদী জাদু
শিখে আসবো,
গ্রীলের জানালাটা ভেঙে চুরমার করে দেব,
বাধা দেবে সাধ্য কার?
তোর-আমার মাঝে এরা,
বড্ড বাড়াবাড়ি করছে আজকাল।।
#নীলকান্ত©
www.facebook.com/swopnonil

নীলকান্ত

নীলকান্ত,
তুই বিখ্যাত হয়ে গেছিস,জানিস?
তোর ভ্যান্না তলায় কলার পাতার ঘর,
শাড়ির আঁচল ছুঁইয়ে, নগ্ন বুকে
প্রেমের তুফান,
গলা টিপে হত্যা করা ভালোবাসার ভ্রুন,
কারো মন ছুঁয়েছে।
নীলকান্ত,
তুই জানিস,তুই বিখ্যাত হয়ে গেছিস?
পত্রিকার সাহিত্য পাতায় তোর কবিতা ছাপাবে বলে
অগ্রিম জানিয়ে দিলো।
শুস্ক মরুতে যে সবুজের উদ্যান করবি বলেছিলি,
এবার তার কূপ খননের পালা!
বালি ছেকে পানি তোলার আহবান।
নীল, তুই জানিস?
তোর কবিতা, কোন রমনীর মনের
আঙিনায় বাসা বেধেছে!
ঘর বেধেছে তেপান্তরের মাঠে?
স্বপ্ন বিভোর চক্ষুহতে ঘুম কেড়েছে,
হৃদয় নোঙর ফেলছে মনের ঘাটে।
নীলকান্ত,
তুই জানিস, তুই বিখ্যাত হয়ে গেছিস।
হা হা হা...
বিখ্যাত হয়ে গেছিস!!
#নীলকান্ত©
www.facebook.com/swopnonil

যুবক

আমি কি এখনো সেই ছোট্ট খোকা
আছি নাকি?
যে তুমি,কার্টুন দেখিয়ে মন ভুলাবে?
আমি কি সেই ছ'বছরের সুবোধ বালক!
যে তুমি, লাঠি লজেন্স দেখিয়ে মন ভুলাবে?
আমি আজ ২৫ বছরের উদ্দাম যুবক,
কার্টুন দেখে দেখে আর মন ভরে না,
এবার রক্ত-মাংসের মানুষ চাই।
যার উলের মত হাত আছে,
হরিনীর মত চোখ আছে,
মেঘ কালো চুল আছে যার,
আছে কলমিলতার দেহ।
গোলাপের মত ঠোট আছে যার,
হুইস্কির মত উন্মাদনা আছে যার।
পশমি বলের মত বুক আছে যার,
আছে কোকিলের মত কন্ঠ।।
আমি কি এখনো সেই ছোট্ট খোকা আছি নাকি!
যে তুমি, কথার জালে মন ভুলাবে?
আমি কি সেই ছ'বছরে সুবোধ বালক
আছি নাকি?
যে তুমি, রঙিন ঘুরির লোভ দেখিয়ে
আমায় কাছে নেবে!
আমি আজ ২৫ বছরের হালহীন,পালহীন নৌকা,
যার নোঙর করার তীর প্রয়োজন,
যার, দীর্ঘ যাত্রার জন্য পাল প্রয়োজন।
প্রয়োজন, একটা হাল।।
দীর্ঘ সমুদ্র পথের ক্লান্তি ভুলানো নাচ প্রয়োজন,
গান প্রয়োজন।
প্রয়োজন, তোমাকে।।
#নীলকান্ত ©
[[০১/১১/২০১৪ 02:18am]]
(আমি জানি, তুমি বুঝবে)
www.facebook.com/swopnonil

চড়ুইভাতি

যাহ!
তোকে চাইব না আর ডাকতে কাছে,
ভ্যান্না তলায়, কলার পাতায় ঘর বানাতে।
আমন খরের জাজিম পেতে
ডাকবো না আর,
চাইবো না আর বউ বানাতে।
গোল মরিচের তরকারি আর
জংলী কচুর শাক,
বলব না আর রাঁধতে তোকে
বালি মাটির ভাত।
করবো না আর  মাটির থালায়
মিছি মিছি বউভাত।
গামছা পড়িয়ে চাইব না আর বউ বানাতে,
ভ্যান্না তলায় কলার পাতার ঘর পাতাতে।
বলব না আর,বৃষ্টি মাথায় আসতে কাছে,
ডাকবো না আর, বউ বলে রাগলে পাছে।
যাহ!
তোকে ডাকবো না আর চড়ুইভাতির
ঘর সাজাতে,
চাইবো না আর ভ্যান্না তলায়
কলার পাতা,আমনের খর আর
কঞ্চি কেটে ঘর বানাতে।।
#নীলকান্ত©
[[ কেন জানি ছেলেবেলায় ফিরে যেতে ইচ্ছে করছে খুব।সেই চড়ুইভাতি, কলা পাতার ছাউনি,কচুরিপানার মাছ,মাটির হাড়ি পাতিল, মিছিমিছি ভাত রান্না করা আবার ফিরে পেতে ইচ্ছে করছে খুব।]]
www.facebook.com/swopnonil

স্বপ্ন এবং আমি

গল্পঃ(স্বপ্ন এবং আমি)
------------
বলার মত কিছু নেই যে কথাটা বলা যায়!!
সারা রাত হা ডু ডু খেলে সকালে ঘুম ভাঙতে ভাঙতে যে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে গেছে তা বুঝতে পারলাম কিছুক্ষন আগে। ঘুম ভাঙবেই বা কিভাবে! আজ ঘুমের দেবতার সাথে সাথে স্বপ্ন দেবীও যে বেশ প্রসন্ন ছিলো।দেবীর স্বদিচ্ছায় বন-বাদার, মাঠ-ঘাট,সমুদ্র-আকাশ কোনটাই বাদ যায়নি আজ। এই এখন সমুদ্রের মাঝে ছোট্ট ডিঙিতে মরনপণ বাচার লড়াই তো,কিছুক্ষন পর দেখি আকাশে ডানাবিহীন উড়ন্ত মানখি(মানুষ +পাখি)।নিজেকে সুপারম্যান কিংবা কৃষ টাইপের কিছু একটা মনে হচ্ছিল তখন।
দেবী সবকিছুই ঠিকঠাকই মেইনটেইন করছিলেন কিন্তু হঠাৎ বোধহয় ঘুম দেবতার সাথে রোমাঞ্চ করতে করতে তিনি আমার ব্যাপারে খানিকটা উদাসীন হয়ে গেছিলেন। নয়ত,দুই জনের রোমাঞ্চকালীন সময়ে লোকাল ট্রেনের স্পিডটা মেইল ট্রেনের স্পিডে উঠায় যাত্রীর ছিট থেকে ছিটকে পড়েছিলাম আমি।
বলি,ও দেবতা, লোকাল চালাও আর মেইল চালাও যাত্রী কেন পড়ে?? :p
যাই হোক ছিটকে পড়লাম তো পড়লাম তাও আবার মালীর ঘাড়ে।
আরে বাবা, এত জায়গা রেখে ওই খানেই ফেলতে হলো!
চেহারাটা এই মুহূর্তে মনে করতে পারছি না।তবে বেশ পুরোনো চেহারা।আই মিন, অনেক পুর্ব পরিচিত।হয়ত এক সময় তার জন্য আমিই পাগল ছিলাম!  কিন্তু,
মনের ঘরের জানালা দরজায় বোধহয় একটু বেশিই মরিচা ধরে গেছে।না হলে এত চেষ্টা করেও কিছুতেই ওর নাম মনে করতে পারছি না কেন!
বোধহয় শশী বা কুশি এই জাতীয় কোন একটা নাম ছিল ওর। হাল্কা গড়ন,দুধে আলতা গায়ের রং,মাথার মেঘকালো চুলগুলো ছেড়ে দিলে কোমড় ছুই ছুই করে আর ভাসা ভাসা চোখ যেন সবসময় স্বপ্ন দেখে। আমি বোধকরি একবার ওকে খোলা চুলে বৃষ্টিতে ভিজতে দেখেছিলাম।
সেদিন ওর পড়নের আকাশি স্যালোয়ার কামিজ ভিজে শরীরের সাথে আটকে গেছে।সামনের চুলগুলো থেকে ফোটা ফোটা বৃষ্টি কণা কপাল চুইয়ে গাল বেয়ে ঠোটের কার্নিশে এসে মিশেছে আর ও আলতো ভাবে ওড়নার আচল দিয়ে গড়িয়ে পরা মুক্ত কনা মুছার ব্যর্থ চেষ্টা করে যাচ্ছে।।
এভাবেই ওকে প্রথম দেখেছিলাম বোধহয়। কিন্তু কি আশ্চার্য আজ ওর নামটাই মনে নেই!!
স্বপ্নের মধ্যেও স্বপ্নদেবীর এই অহেতুক রসিকতায় কিছুক্ষন স্তব্ধ হয়ে গেলাম। স্বপ্ন দেখছি, আমি সুপারম্যানের মত উড়ে চলেছি।হঠাৎ আমার সুপার ন্যাচারাল ক্ষমতা নষ্ট হয়ে গেলো।আমি হাজার হাজার ফুট উপর থেকে নিচে পড়ে যাচ্ছি। ঈশ্বর আল্লাহ, পীর-আউলিয়া সবার নাম ধরে ডাকা ডাকি করছি কিন্তু কোন লাভ হচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত মরে যাবার আগে চোখটা বন্ধ করে প্রিয় মানুষগুলোর মুখ মনে করার চেষ্টা করছি।
নাহ!কারো কথাই মনে আসছে না।বরং মনে হচ্ছে,  এই বুঝি আমার জীবনের সাঙ্গ হবে এখানেই।।
কিন্তু কি আশ্চার্য,  আমি এত উঁচু থেকে পড়লাম কিন্তু মরলাম না। অবশ্য স্বপ্ন ছিলো বলেই এই অসম্ভবও সম্ভব হয়েছে।।এই যা!  এখন তো নিজেকে অনন্ত জলিল টাইপের কিছু একটা মনে হচ্ছে!! :p
যাই হোক, মাটিতে পরে যখন আমার চোখ খুললাম,তখন দেখি;পাশে সেই মেয়েটি। কি যত্ন করে আমার সেবা করছে!  আহা!
সামান্য কাটা ছেড়ায় বাংলা সিনেমার মলম লাগানো থেকে শুরু করে ব্যান্ডেজ, মন্ডেজ(মনের ব্যান্ডেজ) ইত্যাদি ইত্যাদি।   আর আমি কিনা তার নামটাই মনে করতে পারছিনা এখন।এমন কি স্বপ্নেও বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেছি নাম মনে করতে,পারিনি। তবে সেই স্বপ্নের মধ্যে আমার কাটিয়ে দেয়া রোমাঞ্চকর, রোমান্টিক বছরটাও কাটিয়ে দিয়েছি বিনা নাম জেনে। কিভাবে যে বছর কেটে গিয়েছিল তা ভাবতেই অবাক লাগছে।আচ্ছা , বাস্তবেও কি এমন হতে পারে?  কি জানি!!!
হঠাৎ করে স্বপ্নের জগতে পার্থিব হস্তক্ষেপ আমার সাধের স্বপ্নটার বারোটা বাজিয়ে দিলো। স্বপ্নের মধ্যে পার্থিব  কে যেন জোরে জোরে ডাকছিল।ঘুম ভেঙে গেলো। ঘুম ঘুম চোখে তাকিয়ে দেখি বারান্দার গেটে পত্রিকাওয়ালা।
"ভাই, আছেন?  এ মাসের বিলটা দেন।"
মনে মনে ভাবলাম, আরে ব্যাটা, আগে আমার স্বপ্ন ভাঙার ক্ষতিপূরণটা দিয়ে যা।তারপর বিল দেব!!
ইস!  কি সুন্দর স্বপ্নই না দেখছিলাম!!  এর মধ্যেও ডিস্ট্রার্ব??
পত্রিকাওয়ালা কে বিল দিয়ে বিদায় করে কিছুক্ষন শুয়ে শুয়ে
স্মৃতির ধুলো জমা ময়লা পাতা গুলো আরেকবার ঝেরে পরিস্কার করার চেষ্টা করলাম কিন্তু লাভ হলো না। আমার স্বপ্নে দেখা সেই মেয়েটার নামও আর জানা হলো না।।
(কন্টিনিউ.....)
www.facebook.com/swopnonil

ভালোবাসবো মানুষের মত

হয়ত তোমার পথ চেয়ে বসে থাকা,
খররৌদ্রে মাঝ রাস্তায় দাড়িয়ে অথবা
পুর্নিমা বা অমাবস্যার ঘুটঘুটে অন্ধকারে তোমাকে খুজে ফেরা ছিল আমার পাগলামি।
এবার আমি মানুষ হবো।
মানুষের মত ভালো বাসব।
যেভাবে তুমি চাও।
আমার মাতাল ভালো বাসাকে এবার পিঞ্জরে ধরে রাখব।
লোহার বেড়ী, মনকড়া পড়িয়ে নিয়ে যাব তোমার আদালতে।
তুমি না দিলেও, নেব স্বেচ্ছা নির্বাসন,
সারাদিন ঘরের কোনে বেধে রাখব মন।
ঘাপটি মেরে বসে থাকাবে আমার ভালবাসা।
তোমার দৃষ্টির আড়ালে নীরবে  পোষা কষ্টে
ক্ষত বিক্ষত হৃদয়ে যন্ত্রনার প্রলেপ দেব।।
তবুও এবার আমি মানুষ হব।
ভালবাসব মানুষের মত।।

বৃষ্টি, আমি আর পারু

পারু,
হঠাৎ করেই ঘুম ভেঙে গেলো টিনের চালায় বৃষ্টির রিমঝিম শব্দে।
একটু কান খাড়া করে শুনতে চাইলাম, আসলে এটা বৃষ্টি না তোমার নুপুরের নিক্কন।একবার
মনে হল, তুমি আমার বারান্দায় দাড়িয়ে আছো।
লাফ দিয়ে বিছানা ছেড়ে উঠলাম।দরজা খুলে দেখি,না সেখানে কেউ নেই বৃষ্টির ফোটারা ছাড়া।শুধু মাঝে মাঝে কে বা কারা যেন বেশ জোড়ে সোরে হুমকি-ধামকি দিয়ে যাচ্ছে একেরপর এক।আর কোন অশতীপর বৃদ্ধার দৃষ্টি শক্তি বোধহয় একটু বেশিই কমে গেছে।না হলে এরকম সকালে বিজলী বাতি জ্বালিয়ে আমার বোকা হয়ে দাড়িয়ে থাকা দেখত না।
টিনের চাল বেয়ে বৃষ্টির ধারা সারি করে মাটিতে পরছে, তারপর গড়িয়ে গড়িয়ে জমা হচ্ছে ঐ নিচু জায়গাটায়। জানো পারু, ওখানে বৃষ্টির ফোটারা এক এক করে স্পেস স্যুট এর মাস্ক পড়ে কি দারুন ভাবে ভেসে যাচ্ছে! ইস! তুমি যদি দেখতে।
পারু,
কথা ছিলো,সকালে তোমার সাথে দেখা করব।আমারো খুব ইচ্ছে করছে এই বৃষ্টিতে কাক ভেজা হয়ে তোমার সামনে দাঁড়াতে। তারপর, খোলা আকাশের নিচে, ঝুম বৃষ্টি মাথায় নিয়ে হেটে যাব সাতমাথায়।ওখান থেকে পৌর পার্ক,খোকন পার্ক হয়ে আলতাবেলীর সামনের ফুট পাতে দাড়িয়ে দাড়িয়ে এক কাপ চা খাব ভাগা ভাগি করে।।লোকজন তাকিয়ে তাকিয়ে দেখবে আর মাঝে মাঝে ঐ অশতীপর বৃদ্ধা হয়ত হাতের লাইট জ্বালিয়ে দেখবে আমাদের ছেলেমানুষি।
কিন্তু কি করব বলো, তুমিই তো বের হতে পারবে না। আর এখন যখন তোমাকে এত সব লিখছি তখন, হুমকি-ধামকির জোড় অনেক বেরে গেছে।বেড়ে গেছে বৃদ্ধার লাইটের চার্জ।।
এখন আমি কি করি বলো তো!!
পারু,
তুমিও কি জানালা খুলে বৃষ্টি দেখছ?
মনে হচ্ছে,তুমি হাত বাড়িয়ে বৃষ্টির ফোটাগুলো ধরে আলতো করে ঠোটের কোনে লাগিয়ে মিষ্টি করে হেসে উঠছো আমাকে ভেবে! দেখো, কি আশ্চার্য ! আমিও তো তোমার ছুয়ে দেয়া বৃষ্টিতে ভিজছি।এ যেন,তোমার স্পর্শ বুলিয়ে যাচ্ছে আলতোভাবে।
অনেক মিস করছি তোমাকে, পারু। অনেক মিস করছি তোমাকে।
www.facebook.com/swopnonil

একটা সকাল দিতে ইচ্ছে করে

একটা সকাল দিতে ইচ্ছে করে তোমায়,
এরকম এক বৃষ্টিস্নাত সকাল।
আকাশে কালো মেঘের ভেলা,
বিদ্যুতের ঝলকানি,
গুরুম গুরুম বজ্রপাত
আর মাথার উপর ঝুম বৃষ্টি।
আর সেই সকালে,
রাস্তা ফাকা,পাতি হাসগুলো খেলবে জলকেলি।
বজ্র মেঘের ঝলকানিতে চোখ বন্ধ করে-
দু কানে আঙ্গুল ঢুকাবে অশীতিপর বৃদ্ধা।
আর তোমার ভীত-সন্ত্রস্ত মুখটা
লুকোবে আমার বুকে।
শির শির করে কেঁপে উঠা তোমার ঠোট,
উষ্মতা খুজবে আমার ঠোঁটে।
এরকম এক সকাল দিতে ইচ্ছে করে খুব।
এমনই একটা বৃষ্টিস্নাত সকাল।।

জীবনের চাষ

চাষ করব .
তোমার তপ্ত মরূ অঞ্চল
আমার সুপ্ত আগ্নেয়গিরি।
ভেতরে উত্তপ্ত লাভা,উদগীরনের
অপেক্ষায়।।
শীতের থুরথুরে বুড়ি পালিয়েছে
ভালবাসার যাতাকলে পিষে।
মোটা লেপের যে আস্তরন ছিল,
শরীরের যেটুকু কাপড় ছিল,
হারিয়েছে-
ভালবাসার উষ্ণতা মিশে।
কিন্তু,
তোমার মরূতে যে কুপ করেছি খনন
তাতে পানি নেই।
ভেজেনি সেখানকার বালি মাটি,
জন্মায় নি সবুজ ফসল।
আমার আগ্নেয়গিরি আছে,
ভেতরে উত্তপ্ত লাভা আছে;
ভিজিয়ে দেব তোমার খা খা মরুভুমি,
নিচ থেকে তুলে আনব উষ্ণ পানি,
ভরিয়ে দেব সবুজ।
এক ফোটা দু ফোটা করে।।।
(সংক্ষেপিত)
নীলকান্ত
স্পেশাল দিন-১১/১২/১৩
আজ নাকি কোন স্পেশাল দিন!!
ওহ!এখন তো রাত।
দিন তো সেই কখন রাতের
আধারে ঢেকেছে।
তাহলে আমিই বোধহয় এক্টু
দেরি করে ফেলেছি।
রাস্তার পাশের ওই দোতলার
জানালাটা খোলা ছিল,
এলোকেশী কোন রমণীর ধব
ধবে সাদা পিঠের
সকালের সুর্যস্নান দেখতে দেখতে দুপুর
গড়িয়েছে।
তারপর,
নিকশ কালো ভেজা চুল শুকাতে আসা
পাশের বাড়ির যুবতীর
দিকে চেয়ে থাকতে থাকতে হয়েছে
আসব আসব করেও আসা হয়নি।
আচ্ছা,আজ না কি কোন স্পেশাল দিন?
সেও তো চলে গেছে আধারের
সাথে সাথে।
তবুও রাত এখনো কিছুটা বাকি!
কিন্তু,দোতলার বারান্দারর
এলোকেশী রমণী নেই,
নেই পাশের বাড়ির যুবতী।
হয়তবা আবারো একশ বছর
পরে ফিরে আসবে
ওরা দুজন, ফিরে আসব আমি।
ফিরে পাব আজকের এই স্পেশাল দিন।।

প্রিয় দেবী (বিরহের চিঠি) ৩

প্রিয় দেবী, অনেকদিন পর তোমায় লিখছি। কতদিন পর! ঠিক ঠাক মনে পড়ছেনা কিছুই। শুধু মনে পড়ে, শত শত চিঠি পাঠিয়েছি বেনামী ঠিকানায় বহুদিন। হয়ত সেসব কখ...