কিছু ভালবাসা থাকে সব কিছুর উর্ধ্বে। কিছু কথা,কিছু চাওয়া কিছু স্বপ্ন জ্বলে নিরবে।কিন্তু সব মিলিয়েই তো ভালবাসা। চিরসবুজ ভালবাসার জন্যই আমাদের এই ব্লগ। ভালবাসা হৃদয়ে থাক চিরসবুজ হয়ে,চিরদিন।
প্রিয় দেবী (বিরহের চিঠি) ৩
হৃদয়ের আস্ফলন
মস্তিস্ক থেকে মস্তিস্কে ডেটা ট্রান্সফার, এটা কি অসম্ভব!!!
---------------------------
যদি একশ জনকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে,সবচেয়ে কঠিন কাজ কোনটি, কায়িক শ্রম নাকি পড়াশোনা?
তবে আমার বিশ্বাস একশত জনই বলবে,"পড়ালেখা"।
কারণ, আপনি আপনার যে কোন কাজ অন্যকে দ্বারা করিয়ে নিতে পারেন।কিন্তু পড়াশোনা?
ইটস ইম্পসিবল।
আপনার পড়াশোনা অন্য কেউ করে দিতে পারবে না।আপনারটা আপনাকেই করতে হবে। এটা সবাই জানে ।
হলে বেশ ভালই হত বটে। আমার মনে হয় দূর ভবিষ্যতে এটাও করা সম্ভব হবে।আর সম্ভব হবে এ জন্যই যে-
ধরুন, আমাদের মস্তিস্কের একটা অংশ যা স্মৃতি সংরক্ষণ করে তা কম্পিউটারের একটা হার্ডডিস্ক/ মাইক্রো চিপের মত।অসংখ্য নিউরন দ্বারা গঠিত এই অংশ। যা কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক এর মতই কাজ করে।আমরা আমাদের ইনপুট অর্গানিজম চোখ,কান,নাক,মুখ(জিহ্বা যা স্বাদ মনে গ্রহন করে) দেখি,শুনি,গন্ধ নেই, স্বাদ নেই কিংবা পড়ি তাই এটা সংরক্ষণ করে। তারপর বছরের পর বছর তা স্মৃতিতে ধরে রাখে। আবার মস্তিষ্ক কম্পিউটার হার্ডডিস্ক এর মতই ক্রাশ করে। আর তখন মানুষ তার স্মৃতি শক্তি হারিয়ে ফেলে।কিংবা বহু পুরোনো স্মৃতি ধীরে ধীরে মলিন হয়ে যায়। যদি মানুষের মস্তিস্ক এবং কম্পিউটারের মেমরির মধ্যে এতই সামঞ্জস্য তবে কম্পিউটার থেকে যেমন ডেটা ট্রান্সফার করা যায়,মস্তিস্ক থেকে কেন নয়!!
সুশান্ত দা এর লেখা সমূহ
নারীর কুমারীত্ব এবং পুরুষ
আমার এই পোষ্টটি শুধুমাত্র অবিবাহিত ও বিবাহিত বন্ধু বান্ধবীদের জন্য ।
যাদের কপাল ভালো তারা পেয়েও যায় আর মন্দ কপালে দের জন্য মুখ বুজে মেনে নেয়া ছাড়া উপায় থাকে না। এর মধ্যে যারা সত্যিই কুমারী তারা নির্ভয়ে থাকে । নিজেকে উজার করে দেয় প্রিয় মানুষের কাছে।কিন্ত যে নারী কুমারীত্ব হারিয়েছে পূর্বেই সে নারী হয়ত তার কুমারীত্ব প্রমাণের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যায়।
মিলন শেষে মেয়েটা ভাবে, "যাক বাবা,আহ উহ করে বেঁচে গেলাম।" সো টেনশনটি নট।
আরে আপারা,এত কষ্ট করার কি দরকার!পুরুষের একটা গোপন কথা বলি,"অধিকাংশ পুরুষই নারীর কুমারীত্ব আছে কি নাই তা টের পায়না। হয়ত জানেও না, বুঝেও না। তাই, নো টেনশন।
কিন্তু এটাও সত্য যে নারীর স্পর্শই বলে দেয় সে কুমারী আছে কি নাই।আর অন্যান্য নিয়ামত সমূহ তো আছেই।
যাই হোক,
কোন ছেলেই তার বউ ভার্জিন না হলেও অন্যকে বলতে যায় না,যাবেও না।সে সব কিছু মেনে নেয় এই ভেবে যে,"Past is past ".আর অন্যকে বলার তো প্রশ্নই আসে না । বরং সব জেনে বুঝেও তার স্ত্রী কে বুঝতে দেয় না যে সে সব বুঝতে পেরেছে। কারণ একটাই,যেন সংসারটা বিষের না হয়।
কি আর করার তখন?
তখন পুরুষ হয়ে উঠে অসহায়!:P
না রে ভাই,আমি একদম নারী বিদ্বেষী নই। :)
২।
বাইচ্চা গেছস ব্যাটা,নইলে গর্তে পইড়া যাইতি! :P
প্রেম কখনো নিঃস্বার্থ হতে পারেনা।(আর্টিকেল)
কিভাবে?
আচ্ছা,তার জন্য শুধু দু' একটা প্রেমের ব্যাখ্যায় যাচ্ছি তাহলেই বাকি সব তথাকথিত নিঃস্বার্থ প্রেমের মাঝে স্বার্থপরতা খুঁজে পেতে কষ্ট হবে না।।
মানুষ প্রকৃতিকে ভালবাসে নিজের সুখের জন্য,সৌন্দর্যের জন্য আর বেঁচে থাকার জন্য । প্রকৃতির উপকরণ মানুষের কাজে না আসলে এ প্রেম কখনোই আসতো না।
মানে,ও খোদা তুমি আমায় স্বর্গ দাও,দুনিয়ায় ভাল একটা বউ দাও,চাকুরী দাও,রোগ-বালাই হতে মুক্তি দাও,এটা দাও,সেটা দাও, ওটাও দাও । যা আছে সব দাও।
এই চাওয়া গুলো না থাকলে মানুষ কখনো খোদার কথা মনেই করত না।প্রেম তো দূরের কথা। প্রেম বা ভক্তির সাথে যখন বিনিময় যুক্ত থাকে তবে তা,"স্বার্থপরতা নেহি তো অর কিয়া হ্যায়!! "
অতএব, মানুষের প্রেম সর্বদা স্বার্থপর। নিঃস্বার্থপরতা শুধু মাত্র একটা কল্পিত শব্দ ছাড়া কিছুই না!
★
কোন নারী বা পুরুষ পরস্পরের প্রেমে পড়ে কোন কোন কারনে?
★
প্রথম দর্শনে প্রেম হয় কি কি দর্শন করে?
★
অতঃপর, প্রেমের চুড়ান্ত লক্ষ্যই বা আসলে কিসে লুকিয়ে থাকে?
↓
উত্তর একটাই, "জৈবিক ও মানসিক শান্তি পাওয়ার ইচ্ছা।"
যখন কোন পুরুষ ও নারী পরস্পরকে দেখে বা পরস্পরের সাথে মিশে এটা অনুভব করে যে,"আমি তার সাথে থাকলে জৈবিক ও মানুষিকভাবে শান্তি পাব" একমাত্র তখনই দুজনার মধ্যে প্রেম জন্মাতে পারে।
আর এর প্রধান লক্ষ্যটা থাকে জৈবিক প্রশান্তি লাভের আশা। জৈবিক প্রশান্তি লাভ না করলে মানুষিক প্রশান্তিই উবে যাবে।তখন ভালবাসা বলেন আর প্রেম বলেন,যাই বলেন বা কেন তা থাকেনা।আবার জৈবিক চাহিদা পূরন হলেও যদি মানুষিক সুখ না পাওয়া যায় সেখানে প্রেম থাকে না । অর্থ্যাৎ "তুমি আমাকে সুখ দাও,বিনিময়ে আমি তোমাকে সুখি করবো" এরকম একটা পরোক্ষ্য বিনিময় চুক্তি জড়িয়ে থাকে নারী -পুরুষের প্রেমে।
সুতরাং প্রেম শব্দটা নিঃস্বার্থ হতে পারে না।
তাই প্রেমে পড়লে যা বলা হয়,
"দেখ,আমি তোমাকে নিঃস্বার্থ ভাবে ভালবাসি। আমার ভালবাসায় কোন স্বার্থপরতা নেই।"
এটা শুধু কথার কথা। আসলে যে কথাটা বলা হয়না তা হলো, "আমি তোমাকে ভালবাসি কারন আমি স্বার্থপর। "
নায়িকা ও আমি নীলকান্ত #১ম অংশ (ছোট গল্প)
নায়িকা ও আমি নীলকান্তঃ ১
#১
গল্পের নায়িকাকে বারবার ফ্লাশব্যকে যেতে দেখে শুধালাম,
" তা আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি? "
নায়িকা উত্তরে বললেন,"যখন আমি ক্লাস ফাইভে পড়ি, তখন ভাবতাম ডাক্তার হবো। তারপর আরেকটু বড় হয়ে শিক্ষিকা হবার শখ।"
এবার আমি জোড় করে তাকে বর্তমানে টেনে আনলাম,"ওহ হো,একটা কথা বলতে তো ভুলেই গেছি! "
নায়িকা উচ্ছাসিত কন্ঠে বললেন,"কি? কি? "
"না, মানে আপনার হাসব্যান্ড কই থাকেন?" একটু নীচু স্বরে বললাম।
এবার নায়িকা তার নিজের আপাদমস্তক একবার চোখ বুলিয়ে বললেন, "আমার বয়স কি খুব বেশি মনে হয়? "
আমি বললাম, "ছি ছি,তা কেন! আপনাকে দেখে কেউ বুঝতেই পারবেনা আপনার বিয়ে হয়েছে? "
এবার নায়িকা কিছুটা লাজুক হেসে বললেন," আপনার যে কথা! আমার তো আসলেই বিয়ে হয়নি! "
আমার অতি উৎসাহ দেখে নায়িকা বেশ খুশিই হলেন।লাজুক মুখটা একটু নীচু করে, নিজের বাম হাতের আঙুলের নখ দাঁতের নীচে দিয়ে হেসে হেসে বললেন, "জানেন, এই গত কয়দিন আগেও বিয়ের প্রস্তাব এসেছিলো। প্রায় প্রতিদিনই আসে।আমিই নাকচ করে দেই।"
"এই ঠিক মত ছেলে পাইনা তাই। কেউ কেরানীর চাকুরী করে,কেউ দপ্তরি,কারো আবার বউ মারা গেছে!
আপনিই বলেন,এদের সাথে আমার কি যায়? " নায়িকা কিছুটা অভিমান নিয়ে বললেন।
আমি বললাম, "নাহ! কিছুতেই না।এসব লোকজন আপনাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়ার সাহস পায় কি করে! ছি ছি! আপনি কি এতটাই ফেলনা হয়ে গেছেন নাকি?
' তা ম্যাডাম, আপনার কি ধরনের ছেলে পছন্দ? "
এতক্ষনে নায়িকা যে লজ্জা পাচ্ছিলেন তার চেয়ে দশগুণ বেশি লজ্জা পেলাম আমি। মনে মনে বললাম,বলে কি রে!
নায়িকার কথা তখনো শেষ হয়নি।তিনি কথার সাথে আরো যোগ করলেন, "আপনার মত শ্যামলা হলেও চলবে।জানেন,আপনাকে না অপূর্বর মত লাগে! "
লজ্জা পাওয়ার আরো কিছু বাকি ছিল ঠিক ভাবিনি।শেষের কথাতে আরো বেশিই লজ্জা পেলাম। বলে কি?
কোথাকার কি,পান্তাভাতে ঘি! কই অপূর্ব আর কই নীলকান্ত!
তবে এই তুলনা যে প্রথম শুনছি ঠিক তা না।এর আগে কমছে কম হাজার জন একই কথা বলেছেন।যদিও আয়নার সামনে দাড়ালে ঠিক বিশ্বাস হয়না, আর মিলাতেও পারি না।
যাই হোক,
যে পাঞ্চগুলো এতক্ষন আমি নায়িকাকে দিচ্ছিলাম,নায়িকা তা যে এভাবে ফেরত দেবেন তা ভাবতে এবং বুঝে উঠতে একটু সময় লেগে গেলো।
নায়িকা এবার একটু নড়েচড়ে বসলেন।কি যেন বলতে চেয়েও বললেন না। এদিকে আমি কোন মত এই স্থান ত্যাগ করবার অভিপ্রায়ে কাঁচুমাচু করছি।বারবার রিষ্ট ওয়াচটার দিকে তাকাচ্ছি আর ভাবছি, কি বলে এখান থেকে উঠা যায়! সময়ও কম হলো না,সাড়ে পাঁচটা মত বাজে। আমি রিষ্ট ওয়াচ থেকে মুখটা তুলে নায়িকার মুখটা ওয়াচ করবো বলে যেই না তাকিয়েছি ওমনি অবাক হয়ে দেখলাম, একি! নায়িকা যে কাঁদছেন!!
কিন্তু কেন, তা ঠিক বুঝে উঠতে পারলাম না। আমি তাকাতেই তিনি তার উড়নার আচল দিয়ে চোখ মুছলেন। কিছুটা বিব্রত হয়ে জিজ্ঞাসা করলাম,
"ম্যাডাম, আমি কি কোনভাবে আপনাকে কষ্ট দিয়েছি? প্লিজ নিজের অজান্তে কোন ভুল করলে ক্ষমা করবেন। "
এবার নায়িকা তার চোখের জলে ভেজা আচলটা হাতের আঙুলে জড়িয়ে আবেগাপ্লুত কন্ঠে বললেন,
"এত দিন অনেক মানুষের সাথে কথা বলেছি,কিন্তু কেউ আপনার মত করে আমার সাথে কথা বলেনি। সবাই আমার দূর্বলতার সুযোগ খুঁজেছে। একমাত্র আপনার সাথে কথা বলে আজ যত ভালো লাগলো, তা আমি কোনদিন ভুলবো না। গত দুই ঘন্টা আমার কাছে আজীবন স্মৃতি হয়ে থাকবে।"
নায়িকা আর কিছু বললেন না।কেমন যেন চুপসে গেলেন।এদিকে আমার নিজের কাছে নিজেই খুব বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পড়ে গেলাম। একজন মানুষ তার অতীতের দুঃখগুলো আমার সাথে শেয়ার করছিলেন কিন্তু আমি? আমি স্বার্থপরের মত তার কথা গুলোকে নিছক বাজে অতীত ভেবে কিভাবেই না অগ্রাহ্য করেছি! তারপর আবার এখান থেকে পালানোর জন্য পথ খুঁজছি। ছি ছি! আমি এতটা স্বার্থপর??
নায়িকাও নীরব,আমিও নীরব। ড্রয়িং রুমের সিলিং ফ্যানের শ শ শব্দ ছাড়া আর কোন শব্দ নেই। বেশ কিছুক্ষন এভাবে যাবার পর নায়িকাই প্রথমে কথা পারলেন,
"নীল,আজ আপনি আমার বাসায় ডিনার করে যান।ফ্রিজে মাংশ আছে আর আমি ভালো বিরিয়ানি করতে পারি।আপনার অনেক ভালো লাগবে।"
আমি স্বাভাবিক ভদ্রতা বশত বললাম,না না।তার দরকার নেই।আজ আপনার সাথে ডিনার করতে পারছি না।অন্য কোনদিন নিশ্চয়ই করবো।
আজ যে আমাকে উঠতে হচ্ছে! প্রায় সন্ধ্যা হয়ে এলো। "
নায়িকা এবার ধরা গলায় বললেন, "হোক না! আজ ডিনার টা করে যান।আর কোনদিন আসবেন কি না, তা বলা যায় না।
অন্তত আজকে,প্লিজ।"
উঠে দাঁড়িয়ে নায়িকাকে বললাম, আজ আমাকে উঠতেই হচ্ছে।সন্ধ্যার পরে বিশেষ একটা কাজ আছে। প্লিজ মন খারাপ করবেন না।।
নায়িকা এবার দাবির সুরে বললেন,"কাজটা কি খুব জরুরী? "
বললাম,"হ্যা।বেশ জরুরী। "
নায়িকা বললেন, "ঠিক আছে,খুব জরুরী কাজ থাকলে যান।কিন্তু কথা দিতে হবে, আরেকদিন আসবেন।"
আমি মুচকি হেসে মেইন দরজার সামনে এসে দাঁড়ালাম। বললাম,
যদি সৃষ্টিকর্তা আবার কখনো সুযোগ দেন,তবে অবশ্যই আসবো।
আপনার সাথে ২য় বার দেখা না হওয়া পর্যন্ত আমি মরতে চাই না।"
আই মিস ইউ (পত্র-৩)
সুরের মূর্ছনায় তোমার তন্দ্রালু আখি পাতে স্বপ্নের বুনে দেই জাল।
জানিনা।
শহুরে দালান কোঠায় হয়ত প্রতিধ্বনিত হয়ে সে আর্তনাদ ফিরে ফিরে আসবে আমারই কাছে।স্বপ্নলোক থেকে আছড়ে পড়বে হৃদয় পোড়া কয়লা গুলি।অথবা বাতাসের বিপরীতায়ন স্বপ্নপোড়া ছাইগুলোতে ঢেকে যাবে সুর।
রাতের নিস্তব্ধতা ভেদ করে মর্মভেদী আর্ত-চিৎকারে আকাশের তারাগুলো খসে পড়বে এক এক করে।চাঁদের বুড়িটা তার চড়কা ছেড়ে উঁকি মেরে দেখবে হৃদয়ের বিরহের চিতা জ্বলছে দাউ দাউ করে!
শুধু তুমিই দেখবে না,শুনবে না কোন কিছু।জানালার ফাঁক গলে শেষ প্রহরের হিমেল হাওয়া লাগতেই আলতো করে টেনে নেবে গায়ের কাঁথা।
তারপর আবারো সেই অঘোর ঘুম।পবিত্র-নিস্পাপ চেহারা,টোল পড়া গালে মৃদু হাসি।
আর আমি?
বাঁশির সুর খুঁজে যাব হন্যে হয়ে। যে সুর তোমার কানে পৌঁছাতে পারে! ইট-পাথরের দেয়াল ভেদ করে তোমার ঘুম ভাঙাতে পারে, তেমন সুর।
৫/৫/১৫ ০২:০৩ এএম
আই মিস ইউ,পত্র-২
হৃদয়ের স্পন্দন অনুভব না করলে হৃদয়ের অনুভূতি বোঝা যায় কিনা জানিনা।আর।, আমার মতে সেই স্পন্দন অনুভব করতে হলে দুটি হৃদয়ের উষ্ণতা ছড়িয়ে পড়া চাই দুজনার মাঝে।
কিন্তু দেখো,
তুমি বলেছো, প্রতিদিন তোমাকে একটা পত্র লিখা চাইই চাই।কিন্তু মোবাইলের কী-প্যাডে কি আর হৃদয়ের অনুভূতি লিখা যায়? যায় না।
হয়ত কাগজ-কলমে লিখলে কিছুটা বোঝানো যেত। কিংবা বুঝে নিতাম বর্ণের প্রতিটি টানে।হয়ত দু'ফোটা বিরহী চোখের জলে অনুভূতি লেপ্টে থাকত প্রতিটি লাইনে।
কিন্তু , মোবাইল ইন্টারনেট আর এসএমএস এর যুগে তোমার কিংবা আমার সে অনুভূতি গুমরে মরে মোবাইল স্ক্রীনে।না তুমি অনুভব কর,না করতে পারি আমি।ব্যকুল হৃদয়ে না পাওয়ার আর্তনাদ বেদনার বালুচরে এসে জমা হয়।তারপর কোন ঝড় বাতাস কিংবা উত্তাল ঢেউয়ে মিশে যায় সব অথবা একাকার হয়ে যায় গুমোট আধারের বুকে। শুধু পড়ে থাকে সেই সব দিনগুলি , সেই সব সুখের অনুভূতি যা তুমি আমি দু'জনে মিলে কোন এক সন্ধ্যায় অনুভব করেছি একান্তভাবে!
অবশেষে অনুভূতিকে তোমার কাছে পৌছে দেয়ার প্রানান্তর চেষ্টা। কি জানি, তুমি সেই অনুভূতি অনুভব করতে পারলে কি না! যদি না পারো তবে,আধার ঘরে খোলা জানালায় দাড়িয়ে এক বুক বাতাস নাও,হয়ত সে বাতাসে আমার অনুভূতির গন্ধ পাবে।আর ঘুমরে মরা অনুভুতি গুলো খুঁজে পাবে তার ঠিকানা!
ইতি
ক্রেডিটঃ#নীলকান্ত
বঙ্গমাতা-কবিতা
পুঁজ জমা তোর শরীরে আজ
নোংরা রাজনীতির বিষফোঁড়া!
ভেবে দেখ একবার,
তীব্র টাটানি আর দূর্গন্ধে ক্যামনে থাকে
তোর আবাল ছেলেরা।
জ্বলতে থাকা শরীরে গন্ধ পেট্রোলের,
বদ্ধ ব্যালট বাক্সে বন্দী
পঁচাগলা লাশ অধিকারের।
অতঃপর
সত্যের উপর মিথ্যার প্রলেপ দেয়া
অবিরল কথার কাদা ছুড়াছুঁড়ি।
হরতালে অধিকারের পেটে লাথি মারা,
ঝলসানো চামড়ার তোর সন্তানের আহাজারি,
বধির মা তুই,
শুনিস না কিছু তা;
বোবা হয়ে গেছিস,তাই
বলিস না কোন কথা।
বড় সৌভাগ্যবতী মা তুই।
জন্ম দিয়েছিস কিছু আজন্ম পাপ,
চুপিসারে।
ব্যাথায় কুকড়ে উঠিস,তবু
চোখ মুছিস লুকিয়ে
রাজনীতির ঘুটঘুটে অন্ধকারে!!
I miss u 1(আই মিস ইউ-পত্র-১)
আমি ভাবি,হয়ত ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে দরজায় একবার কড়া নাড়তেই দরজা খুলে যাবে।এক গাল প্রাণ ভরানো হাসি নিয়ে তুমি দাঁড়িয়ে থাকবে খোলা দরজার সামনে।
ভাবি, সেই হাসির রেখায় মিলিয়ে যাবে আমার সারাদিনের ক্লান্তি,শ্রান্ত শরীর।
হয়ত, ঘরে ঢুকতেই তুমি ব্যস্ত হয়ে যাবে, আমার খাবারের বন্দোবস্ত করতে। তারপর, আমি যখন ওভাবেই খেতে যাবো,তখন তুমি হুকুমের স্বরে বলবে,"যাও,আগে হাত মুখ ধুয়ে আসো।"
তার কোনটাই আর হয় না।
আমি ঠিকই , দরজা খুলে ভিতরে ঢুকি কিন্তু কেউ হাসি মুখে দাঁড়িয়ে থাকে না, কেউই ব্যস্ত হয়না কি খেতে দেবে তার জোগাড় করতে। কিংবা হাত মুখ না ধুয়ে খেতে বসলেও কেউ বারন করে না কখনো।
তবে আজ কেন হয়? আজ দু'জনে দু প্রান্তে তাই?
আজ দু'জন পাশাপাশি নেই বলেই কি?
হয়তবা।
কিংবা যখন পাতিল টা নামাতে গিয়ে হাতে আঁচ লাগে! তখন কি মনের অজান্তেই আমাকে ডেকে উঠো?
কিংবা, যখন কেউ তোমাকে মুখে তুলে খাওয়ায় না,তখন কার উপরে অভিমান করে মুখ ঘুড়িয়ে থমকে থাকো? মনের কোনে জমতে থাকা কষ্ট গুলো ক্যামনে তুমি লুকিয়ে রাখো?
আর ক্যালেন্ডারের পাতায় দাগ দিয়ে রাখো চলে যাওয়া দিনগুলি, অনাগত ভবিষ্যতের দিকে চেয়ে।
একগুচ্ছ অর্কিড আর একটি লাল গোলাপ
১
সকাল থেকেই আকাশটা কেমন মুখ গোমড়া করে বসে আছে।মেঘগুলোও অনবরত গুড় গুড় করে ডেকেই চলেছে।বৃষ্টি আসা যে সময়মাত্র তা মিতু আগেই টের পেয়েছিলো।মিতুর অবশ্য আষাঢ়ের এই বৃষ্টিভেজা দিনগুলো খারাপ লাগে না।বৃষ্টির এই দিনগুলো শুরু হলেই মিতুর মনে পরে যায় জাকিরের সাথে তার প্রথম দেখা হওয়া দিনটির কথা।
২
আজ মিতুর দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকী।আজকের এই দিনটা শুধু জাকিরের সাথে কাটাবে বলেই নিজেকে আলাদা করে রাখা তার।জাকির অফিসের কাজে তিনদিন হল ঢাকার বাহিরে গিয়েছে।আজকেই তার ফিরবার কথা।কিন্তু বারবার জাকিরের ফোনে কল করার চেষ্টা করলেও মিতু ফোন অফ পাচ্ছে শুধু।রাগ হচ্ছে তার কিন্তু সে জাকিরের উপর আজ কোন রাগ করবে না।কারণ মিতু জানে তাকে সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য জাকির এমন কাজ মাঝে মধ্যেই করে থাকে।এইতো এক মাস আগে,মিতুর জন্মদিনের আগের রাত থেকে জাকির ফোন অফ করে বাহিরে ছিল।ঠিক রাত বারোটা বাজার সাথে সাথেই হাজির হল একগুচ্ছ অর্কিডের মাঝে একটি লাল গোলাপ নিয়ে।সে রাতের মিতুর জমানো রাগগুলো আর প্রকাশ করা হয়নি।করবেই বা কিভাবে সাদা অর্কিডের মাঝে লাল গোলাপ তার যে সবচেয়ে প্রিয় বিন্যস্ত ফুল।আজও হয়ত এমন কোন সারপ্রাইজ দিবে বলেই জাকিরের এই ফোন অফ রাখা।আর মিতুর অপেক্ষার প্রহর বর্ধিত হওয়া।
৩
বৃষ্টির প্রকোপতা সময়ের সাথে সাথে বেড়েই চলেছে।মিতুও হারিয়ে গেল এই বর্ধিত প্রহরে কিছু পুরনো সুখ স্মৃতি রোমন্থনে।আজ থেকে পাঁচ বছর আগে এমনি বরষা বাদল দিনে মিতু আটকা পরেছিল তার ভার্সিটির ক্যাফেটেরিয়ার বারান্দায়।হটাত পাশ থেকে ওর বান্ধবী বলে উঠল,মিতু দেখ ঐ ছেলেটি বারবার তোর দিকে তাকাচ্ছে আর কি যেন আঁকিবুঁকি করছে।মিতুও খেয়াল করল ব্যাপারটা কিন্তু উৎসাহ দেখানোর প্রয়োজন বোধ করল না।মিতুর বান্ধবী অবশ্য ছেলেটা কি করছে এই উৎসাহ চাপা দিতে না পেরে দেখতে গেল।দেখে এসে জানালো,ছেলেটি নাকি মিতুর ছবি আঁকছে।মিতুর একটু বিরক্ত লাগল,সে সোজা চলে গেল ছেলেটির কাছে।সরাসরি তাকে জিজ্ঞাসা করল,তার অনুমতি না নিয়ে কেন তার ছবি আঁকছে?মিতুর প্রশ্নে ছেলেটি ভ্যাবাচ্যাকা খেলেও দমে যায় নি,শুধু বলে উঠল,আপনি কি এখানে একটু বসবেন প্লীজ?
মিতু বলল,কেন?
তখন ছেলেটি বলল,আমি আজকেই প্রথম আপনার ছবি আপনাকে না জানিয়ে আকি নি,এর আগেও এঁকেছি।এই খাতাটায় ামার আঁকা আপনার সব ছবিই আছে।আপনি চাইলে দেখতে পারেন।ভালো না লাগলে ছিঁড়ে ফেলবেন,আবার শাস্তি স্বরূপ খাতাটা আপনিও নিয়ে যেতে পারেন।
মিতু ছেলেটির কথায় অবাক হয়ে গেল,আজকেই প্রথম আঁকছে না জেনে তার জানার,দেখার আগ্রহ ভিতরে ভিতরে বেড়ে গেল।সে ছেলেটিকে কিছু না বলেই তার হাত থেকে খাতা কেড়ে নিয়ে ছবিগুলো দেখতে লাগলো।হটাত একটি ছবিতে এসে সে স্তব্ধ হয়ে গেল।শুধু ভাবতে লাগল এটা কি করে সম্ভব!কেননা এই হাসিটা মিতু শুধু তখনই দেয় যখন সে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের মনের সাথে কথা বলে।তার সবচেয়ে প্রিয় মুহূর্তের ছবি এটি যা শুধু নিজের আর একান্ত আপন মানুষটির জন্য তুলে রেখেছে সে।
ছবিটি দেখার পর মিতু তার মুগ্ধতার আলোড়নে সাড়া দিয়ে বাহিরের বৃষ্টির পানে পা বাড়াল।বাহিরের বৃষ্টি এখন তার কাছে কোন বাঁধা মনে হচ্ছে না।আশপাশের সবকিছু ক্রমশ তার আপন মনে হতে লাগল।মিতুর হটাত এমন আচারন তার বান্ধবী আর ছেলেটির কাছে বোধগম্য না হলেও মিতু সেসবের ধার না ধরে ছুটে চলতে লাগল আপন মোহে।মিতুর শুধু মনে হতে লাগল,আজ যদি কেউ তার সামনে কোন শক্ত পাথুরের দেওয়ালও দাড় করিয়ে দেয় সে তাও ভেদ করে যেতে পারবে।
৪
তারপর কিভাবে কখন ছেলেটির জন্য তার মনে জায়গা হয়ে গিয়েছে মিতু তা নিজেও জানে না।শুধু জানে এমনি এক আষাঢ়ের বরষা মুখর দিনে জাকির তার হলের সামনে ভিজতে ভিজতে এসেছিল একগুচ্ছ অর্কিডের মাঝে একটি লাল গোলাপ হাতে নিয়ে।আর বলেছিল,চল বৃষ্টিতে ভিজি।মিতু সেদিন কোন কথা বলে নি, শুধু রুম থেকে নিয়ে আসা ছাতিটা রেখে দিয়ে জাকিরের সাথে হাঁটা শুরু করেছিল।আর হাটতে হাটতে বৃষ্টির ফোঁটায় মিশে যাওয়া অশ্রু জল না মুছে জাকিরের হাতে হাত রেখেছিলো।
৫
মিতু ইংরেজিতে পড়লেও তার ডিজাইনের প্রতি আলাদা একটা ঝোঁক ছিল।সে সাদা শাড়ি আর লাল পারের কাপড় কিনে সাদার মাঝে নকশা আর রঙের খেলা খেলতে ভালবাসত।আজকেও জাকিরকে সারপ্রাইজ দিবে বলে তার নতুন নকশা করা সাদা শাড়িটা পড়ে আছে সে।কিন্তু জাকিরের ফোন এখনও অফ হয়েই আছে।
৬
দুপুর তিনটা বাজে।জাকির বলেছিল বারোটার ভিতর বাসায় পৌঁছুবে।আর প্রতিবারের মত এই দিনটাতে তারা একসাথে বৃষ্টিতে ভিজবে।বাহিরের বৃষ্টির প্রকোপতা কিছু না কমে যেন আরও বেড়েই চলেছে।মিতু ভাবতে লাগল,হয়ত আজ তাদের দুজনকে আবারো একসাথে ভিজাবে বলেই বৃষ্টি তার বর্ষণ ধারা অব্যাহত রেখেছে এখনো।
হটাত জাকিরের গাড়ীর হর্ন শুনে মিতুর ভিতরে সেই প্রথমদিনের মতন অজানা কিন্তু ভাললাগা অনুভূতির দোলা খেলে গেল।ছুটে চলল দরজা খুলে।সিঁড়ী বেয়ে নীচে নামতেই তার চোখে পড়ল গাড়ি থেকে নামানো হচ্ছে সাদা কাপড়ে মোড়া নীরব নিস্তেজ একটি শরীরকে।
সেই নিথর শরীরের ছিন্নভিন্ন অংশ থেকে বের হওয়া রক্তের স্রোত সাদা কাপড় ভেদ করে বাহিরে চলে আসছে। আর তার পাশে পড়ে রয়েছে একগুচ্ছ অর্কিডের মাঝে একটি লাল গোলাপ।
আর মাত্র এক ধাপ কিন্তু রিমির পা কেন জানি দৃশ্যমান শরীরের কাছে অদৃশ্য মায়াজালে বাঁধা পড়ে গেলো।শত চেষ্টাতেও এ বাঁধা ডিঙাতে পারছে না সে।যখন নিঃশেষিত শক্তির পুরোটা দিয়ে বাঁধা পেড়িয়ে মিতু জাকিরের সেই নিস্তেজ,নিথর শরীরের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল,তখন মিতুর সাদা কাপড়ে লাল রঙের নতুন খেলা শুরু হল,যে খেলা বৃষ্টির প্রকোপতাও বন্ধ করতে পারছে না।
আনটাইটেল্ড (কবিতা)
সেই অপূর্ণ চাওয়াগুলো, একে একে সব
হতাশার চাদরে পড়েছে ঢাকা।
চলতে চলতে সোজা পথ গুলোও
হয়েছে বাঁকা, প্রাপ্তির প্রান্তে এসে।
কালো আধারের বুকে কষ্টের জোনাকিরা সব
নীল আলো জ্বেলে পাখা মেলে!
আর বুক ফাটা আত্মচিৎকারে
মাটির বুকে মাথা খুটে মরে,
স্বপ্নের ঝিঝি পোকাগুলো।
জ্বলন্ত সিগারেট শেষ হয়,নিভে যায়;
এক এক করে ধোয়ার কুন্ডলি গুলো
হারিয়ে যায়, কুয়াশার মত।
কিন্তু শেষ হয় না, কষ্টের ছুচো গুলোর
গা থেকে বিগলিত বিশ্রী গন্ধ।
নেভে না,
স্বপ্নের গায়ে লেগে থাকা আরডিএক্স,
বিস্ফোরিত হতাশার আগুন।
হৃদয় পোড়া তামাটে গন্ধে,
চারপাশের বাতাসে মৃদু কোলাহল জাগে,
আবার থেমে যায় সব, সভ্য জাতিদের
অসভ্য কার্যকলাপে!
আশার পেয়ালায় আরেকবার
স্বপ্নের হুইস্কি ঢেলে নেশা খুঁজি,
ঢুলু ঢুলু চোখে স্বপ্ন জুড়ি,
লাল,নীল,হলুদ, সবুজ, তামাটে স্বপ্ন।
তবুও আজ কেন যেন,
আশার পেয়ালাতে আর নেশা লাগে না!!
#নীলকান্ত
১৫/০৩/১৫ ১২:০৮
তবে ভালোবাসিস তুই
বউ বলে তোকে, অকারণে ডেকে যাই;
রাগ করিস তুই?
হয়ত কখনো আদর করে,
ধীর পায়ে চুপটি মেরে
পেছন থেকে জাপটে ধরে
তুল-তুলে তোর গ্রীবাদেশে
চুম্বনেরই রেখা টেনে দেই,
রাগ করিস তুই?
যখন তুই বুকের উপর
মুখ লুকিয়ে কান্না করিস;
দু হাতে তোর চিবুক ধরে
ললাটে তোর আদর করে,
লক্ষী বলে কাছে টেনে নেই,
রাগ করিস তুই??
ঘর থেকে বাহিরে যেতেই,
দরজার ফাঁকে মুখ লুকোনো
দু নয়ন তোর ছলছলিয়ে ;
দেখলে পরে,
দৌড়ে আসি।
জড়িয়ে ধরে শূন্যে তুলে
শুকনো ঠোটে আদর দিয়ে,
বলি যখন ভালোবাসি,
রাগ করিস তুই??
লক্ষী -সোনা,বউ কিংবা অমুকের মা
বললে পরে মুচকি হাসিস।
রাগ করিস তুই?
মটকু না হয় হলাম আমি
তুই আমার শুটকি হলি,
আদর করে বললে পুটি,
রাগ করিস তুই?
তবে ভালবাসিস তুই।।
#নীলকান্ত
(কল্পনা মিশ্রিত। হয়ত কোন একদিন এরকমই হবে, পুটি)
Nilkanto( নীলকান্ত)
যদি কোন রাত..
মনে হয়!!
যদি কোন রাত আর কখনো ভোর না হত,
আধারের অদৃশ্য ছায়া গুলো যদি না আর
ফিরে ফিরে আসত,
তবে কতই না ভালো হত!!
মনে হয়,
যদি কোন পূর্ণিমার চাঁদ কষ্ট পেয়ে
ক্ষয়ে ক্ষয়ে অমাবস্যা না হত,
আর চাঁদের বুড়ির চরকা কাটা
তোমার আমার একসাথে দেখা হত,
তবে কতই না ভালো হত!!
অথবা,
যদি তোমার তুলতুলে নরম হাত ধরে
আকাশের তারা গোনা যেত,
একটা একটা করে..
আর হিসেব কষে স্বপ্ন আঁকা যেত,
রাতের ক্যানভাস জুড়ে,
তবে কতই না ভালো হত!!
যদি আজ রাত,এই রাত, কোন রাত
আর ভোর না হত,
তবে কতই না ভালো হত!!
#নীলকান্ত ="নীলকান্ত "
Nilkanto( নীলকান্ত)।।
প্রিয়তা (খোলা চিঠি)
তুমি আমার সুখের সময় যেমন আমার পাশে থাকো, তেমনি দুঃখের সময়ও সুখের স্পর্শ দিতে এগিয়ে আসো।
তুমি এভাবেই পাশে থেক আমার।তুমি পাশে থাকলে অনেক সাহস পাই,ভরসা পাই।জীবন যুদ্ধে লড়াই করার জন্য আবারো শক্তি পাই।
তবে
অনেক সময় কিছু বিলাসী স্বপ্নে আমি খুব বিভোর হয়ে যাই।বিভোর হয়ে যাই, একটা পরিপাটি, সুন্দর বিলাসী স্বপ্নে। যেখানে তোমার চাওয়ার আগেই সব ইচ্ছে পূরণ হয়ে যায়।।তোমার মনের মধ্যে কোন কিছু স্পন্দিত হলেই তা তোমার সামনে হাজির হয়ে যায়,এমন এক বিলাসী স্বপ্ন।।
কিন্তু,
আমি জানি,তুমি আমার কাছে এমন কিছুই চাও না,বা যা তোমার খুব দরকার তাও চাও না।কিন্তু আমার একটা মন আছে, জ্যোতিষীর মত মন।যা তোমার মনকে ঠিক পড়ে নিতে পারে।যে কথা তুমি মুখে বলো, অথবা তোমার হৃদয় যে কথাগুলো স্পন্দিত হয়,সব।
তাই তুমি না চাইলেও কিংবা কোন কথা তোমার মুখ ফুটে না বের হলেও ঠিক তা আমার কানে পৌঁছে যায়।। তখন মনে হয়, যদি পারতাম তবে পৃথিবীকে তোমার হাতের মুঠোয় আর সমগ্র মহাকাশ ও তার গ্রহ নক্ষত্র গুলো তোমার পায়ে লুটাতাম।
আজ ভালোবাসা দিবসে হয়ত সবাই প্রেমিকার মন রাখায় ব্যস্ত।কিন্তু দেখো,কি হতভাগা আমি যে,তোমার সাথে হাত ধরে হাটবো,তাও হয়ে উঠলো না।ছোট একটা আশা তাও পূরণ হলো না।
তবে এটাই আমার অনেক বড় পাওয়া যে,তুমি আমাকে বুঝতে পারো। কখন,কিভাবে চলতে হবে তুমিই তা আমাকে শেখাও।এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কি হতে পারে?
মিষ্টি করে বুকের কষ্ট বুকে লুকিয়ে আমাকে বললে, "আজ হলো না তো কি হয়েছে? এখনো অনেক সময় আছে । "
জান, সত্যি আমিই সৌভাগ্যবান যে তোমাকে পেয়েছি।আর
এভাবেই সারাজীবন পাশে থেক আমার।।
নীলকান্ত
হায়রে সুখ!!
ধুলো জমা স্মৃতির পাতা হাতড়ে কখনো সুখগুলো খোঁজার চেষ্টা করি।তারপর, একটা একটা করে মহাকালের অতল গহবরে নিমজ্জিত সেইসব ভালো দিনগুলো যখন তুলে আনতে চাই উপরে। তখনই সুতোয় টান পড়ে।অতীতের হাজারো ভুলগুলো নিচের দিকে আকড়ে ধরে লাল পিঁপড়ের মত।
তারপর, অসংখ্য কামড়ের যন্ত্রণায় কাতরে উঠে আমার সুখের সূতো।
আঘাতে আঘাতে,কামড়ে-কামড়ে জীর্ণ সুখ গুলো মুক্তি চায়।
"দাও,দাও, আমাকে মুক্তি দাও।"
চলে সুখের আর্তনাদ আর ভুলগুলোর জয়োল্লাস ।
বিমর্ষ মন বলে,
"বরং এই ভালো তুই যেখানে আছিস, সেখানেই থাক।"
তাই হারিয়ে যাওয়া সুখগুলোকে আবারো মহাকালের স্রোতে ভাসিয়ে দিয়ে বলি, এই বুঝি ভালো হবে! আবারো নতুন সুখ খুঁজে পাবো কোন একদিন।
হয়ত আজ না আগামীকাল কিংবা পরশু কিংবা কোন এক গোধূলির লালিমায় অথবা জীবনের গোধূলি বেলায় মৃত্যুর পেয়ালায়।।
পাবো হয়ত কোন একদিন!!!!
#নীলকান্ত_উপলব্ধি
Nilkanto( নীলকান্ত)
শেষ চিঠি
প্রথমে ভালোবাসা নিতে বলবো সে ক্ষমতা আমার
নেই।
শুনে ভালো লেগেছে না খারাপ
লেগেছে সে কথা বলতে চাই না।শুধু সেই ২০০২
সাল থেকে
২০১০ সাল পর্যন্ত কিছু সময়ের
কথা মনে পরে গেলো তাই দু কথা লিখছি
শৈশবের অবুঝ
ভালোবাসা যৌবনে যে দোলা দিয়েছিলো তার
পরিনতিতে তোমায় হারিয়েছি।
সেটাঈ আমার সবচেয়ে বড় পরাজয়।
তা না হলে হয়ত জীবনের ইতিহাস একটু অন্য
রকম হত।যাই হোক,
সেই ভুলের চরম মূল্য দিয়েছি গত চার বছর।
শুরুটা সেখান থেকে যেখান থেকে তুমি শুরু
করেছিলে।
আসলে তোমার কোন দোষ ছিল না।সব দোষ
ছিল আমারই।আমিই পারিনি তোমার
ভালোবাসার যথাযথ মূল্য দিতে।
আর তাই ঠিক অনুরুপ ভাবে তুমিও আমাকে সেই
ব্যাথাই দিয়েছিলে যা আমার পাওনা ছিল।
কিন্তু অপেক্ষাকৃত একটু বেশিই
হয়ে গিয়েছিল।
তবে এতদিন যে কথা টি তোমায়
বলা হয়নি সেই গোপন কথাটি আজ বলছি।
হতে তুমি চিরদিনের জন্য আমার কাছ পর হয়ে যাচ্ছ।আজ বলছি এ জন্যঈ যে,আর কোনদিন তোমাকে বলার সুযোগ পাব না।আজ বলছি এ জন্যই যে,আজ হতে তুমি অন্য
কারো ঘরনি হয়ে,অন্য কারো বুকে মাথা রেখে তোমার জীবন
কাটাবা।
আমি জানি,কথাটা বলার অধিকার আজ আমার নেই।কারন আমিই সেই অধিকার ক্ষুন্ন
করেছিলাম।তুমি বার বার
ফিরে আসতে চাইলেও আমি গ্রহন করিনি।আর গ্রহন করিনি সে কারনেই যে কথাটা আজ তোমায় বলতে যাচ্ছি।।
আর ভনিতা করতে ইচ্ছে করছে না।তাই বলেই ফেলি।তার আগে তোমার দাম্পত্য জীবন সুখি হোক, সুন্দর হোক সেই কামনা করি।
তোমাকে ছোয়ার যে ক্ষমতা আমি চার বছর আগেই হারিয়েছি তা আমি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চাইনি আর।
সেই সাথে ক্ষমা করো, কারন,তোমার আমার ব্রেক হবার পরে আমি রাগে,ক্ষোভে,অপমানে অসংখ্য মেয়ের সাথে সম্পর্কে জড়িয়েছি।তাদের কষ্ট দিয়েছি।কিন্তু বিশ্বাস করো,আমি কাউকে স্পর্শও করিনি।কিন্তু মন ভেঙেছি বহুবার।
তার জন্য আমায় ক্ষমা করো।আর
নীরবে পুষে রাখা আমার প্রথম
ভালোবাসা নীরবে রেখেই তোমাকে বিদায় জানাচ্ছি।তার জন্য পারলে ক্ষমা করো।।
আজ হতে আর কাউকে কষ্ট দেব না।
না নিজে কষ্ট পাবো।
তুমি ভালো থেক।সুখে থেক।
পারলে জীবনটা কে সুন্দর করে সাজিয়ে নিও।
আর তোমার হাসব্যান্ড কে ততটুকুই
ভালবেসো যা তার প্রাপ্য।তাহলে তোমার সেই ভুলগুলো হয়ত ক্ষমা পাবে।।
খোদা হাফেজ।ভালো থেক।
অনেক ভালবাসতাম তোমায়।পারলে ভুলে যেও ঠিক চার বছর আগের মত।।
ভালবাসতে কখনো তবে এই মেসেজ পাবার পর প্লিজ কেঁদো না।তোমার কাছে আমার শেষ মিনতি।।
তোমার প্রথম প্রেম
Help for Ritna(7years little girl)
★★Your little help can change her life.★★
We want to help this sweet little girl.If u can plz share this post and help us to give her normal childhood back.
৭বছরের এই ফুটফুটে মেয়েটির নাম রিত্না।
মায়াবী চেহারার মেয়েটির ৩ বছর বয়সে হঠাৎ
পড়ে গিয়ে একটি পা ভেঙ্গে গিয়েছিল। স্থানীয়
ডাক্তারের চিকিৎসায় আর ভাল হয়নি। পা'টি পুরোটাই এখন
অকেজো। দাঁড়াতে পারেনা।বসে ঘোষ
পেড়ে এদিক ওদিক একটু যেতে পারে।
বাবা কাটাখালি(চাটমোহর, পাবনা) বাজারের সেলুন দোকানদার রতন দারিদ্রতার
সাথে যুদ্ধ করে হেরে গেছে শেষ অবধি।
চিকিৎসা করাবার মত সামর্থ্য তার নেই।অনেক জায়গায়
দরখাস্ত করেছে।কাজ হয়নি। প্রতিবন্ধি হিসেবেও না।
ভালবাসা দিবসে একটু সহানুভূতি, একটু
ভালবাসা কি পেতে পারেনা এই নিষ্পাপ মেয়েটি।আমার
সমস্ত ভালবাসা আমি আজকে তাকেই দিলাম।
----কৃতজ্ঞতাঃ
ইশারত আলী।
১৩/২/১৫ইং।
plz Share this post if you can...
★★
This sweet seven years little girl's name is Ritna.
From Katakhali,Chatmohar, Pabna,Bangladesh.
When she was only three years old,she had fallen down and broke her leg.Her poor father who is a Barbara of local Bazar(area) tried his level best for the treatment of his daughter but due to lack of money he can't afford it any more.
As a result this sweet little girl leading a miserable life with her broken leg.Neither She can walk nor stand..
Can't we give her normal childhood back?
Obviously we can..
And from your little helps she can be stand again,walk again and live her normal life like other children.
Let's try to do something for her...
Contact us on:
+8801718 141461(CEO,SAVA BD)
+8801796 522202(SAVA BD,Office )
+8801718 022286 (Mohammad Isharat Ali)
To send help:
----------------------
01768 672667(Bkash)
01768 6726679(DBBL Mobile banking)
Bank Transection:
------------------------------
S M HARUN UR RASHID
AC/NO.
125.101.245170
Dutch Bangla Bank Ltd.
Sava bd's link:
www.facebook.com/sava.org
CFSS-Campaign For Self Safety
★★To avoid road accident we have to know & obey the traffic rules..★★
Why CFSS campaign for?
★Sometimes we are passengers and sometimes we act as a Driver.
★Most of us drive motor bikes,by cycles and some of us professionally drive CNG, Auto Rickshaws,Auto Van and other vehicles.
★Are we aware of basic traffic rules?
Answer is, No, no at all.
But to avoid road accident we have to know. We have to obey the rules.
We have to aware others to obey the traffic rules when we travels by those vehicles.
★If we know it,if we obey it and if we suggest others to obey it then it would be possible to prevent /avoid some serious accidents by ourselves.
So, SAVA BD is going to arrange a campaign named CFSS(Campaign for self safety) in different places of Pabna & Bogra for the first time and if we get necessary responses and help from other Organizations then we will arrange it all over the country..
Where it will be held?
★The CFSS campaign will be held especially in urban era.Because, we believe that,
Raising awareness among the urban people is more effective than the others.
★And if people of those era are become well known about traffic rules then wherever the go,they will be able to apply it for themselves and for those people they carrying on..
How it will be held?
★ At first we will select eras and then a special survey will be taken by our volunteers.
★Volunteers will collect the information of vehicles, their drivers and put a tag on the windshield of surveyed vehicles.
★After collecting the information we will classify the vehicles and the licensed drivers from unlicensed and totally new drivers who don't have any knowledge about traffic rules.
★Then we will train them about the traffic rules/signals and all others basic driving rules in a short campaign of 3-7 days.
What do we believe?
★ Its our strong belief that if we able to reach to a number of people than a large number of road accident can be prevented /avoid.
N.B.
We can't publish Some internal & secret plans because of our org. policy.
Article written by:
S M HARUN OR ROSHED
Founder & CEO of
SAVA BD(Social Association of Voluntary Activities Bangladesh)
প্রিয় দেবী (বিরহের চিঠি) ৩
প্রিয় দেবী, অনেকদিন পর তোমায় লিখছি। কতদিন পর! ঠিক ঠাক মনে পড়ছেনা কিছুই। শুধু মনে পড়ে, শত শত চিঠি পাঠিয়েছি বেনামী ঠিকানায় বহুদিন। হয়ত সেসব কখ...
-
নিঃস্বার্থ প্রেম বলে পৃথিবীতে কোন প্রেম নেই।এমনকি প্রেমের ক্লাসিফিকেশনেও নিস্বার্থ প্রেমের অস্তিত্ব নেই।তার মানে হলো,নারী বা পুরুষের প্রেম...
-
এক ফোঁটা শিশির কোন এক মধ্য রাতের আধারে হয়েছিলেম এক গোপন অভিসারে, ভালবাসার শূন্য উপতক্যায় উন্মাদ-উন্মত্ততায...
